মোবাইলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার হল Bluetooth বা খাটি বাংলায় নীলদাত
। কিন্তু প্রযুক্তির ভাষায় ব্লুটুথ এর সংজ্ঞা হল মোবাইল ,কম্পিউটর
অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসে স্বল্পপাল্লার তারবিহীন তথ্য আদান প্রদানের
প্রোটোকল। বর্তমানে মোবাইল ডিভাইসগুলোতে ব্লুটুথ খুবই জনপ্রিয়।
ব্লুটুথ
এর নামকরণ করা হয় ডেনর্মাকের রাজা হেরাল্ড ব্লুটুথ এর নামানুসারে। ব্লুটুথ
সাধারণত স্বল্পপাল্লার ।ব্লুটুথ এর রেঞ্জ ১০ মিটার হয় এবং ব্লুটুথ এর
রেঞ্জ ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যায়।
১৯৯৪ সালে টেলিকম কোম্পানি এরিকসন ব্লটুথ উদ্ভাবন করেন। এরপর আর কিছু কোম্পানি ১৯৯৮ সালে ব্লুটুথ নিয়ে কাজ করতে সম্মত হয় আর গঠিত হয় Bluetooth Spcial Interest Group ( SIG ) সংঘটন।
ব্লুটুথ এর ভার্সন
ব্লুটুথ ১.০ এর ডাটা স্পীড ছিল এমবিপিএস।
ব্লুটুথ ২.০ এর ডাটা স্পীড ছিল ৩ এমিবপিএস।
বর্তমানের মোবাইলে ব্যবহার করা ব্লুটুথ ৩.০ এর স্পীড হল ২৪ এমবিপিএস ।
ব্লুটুথ ৪.০ এর স্পীড হল ২৪ এমবিপিএস।
ব্লুটুথ এর রেঞ্জ
ক্লাস ১ এর পাওয়ার রেঞ্জ হল ১০০ মিটার
ক্লাস ২ এর পাওয়ার রে্ঞ্জ হল ১০ মিটার ।
ক্লাস ৩এর পাওয়ার রেঞ্জ হল ১ মিটার
১৯৯৪ সালে টেলিকম কোম্পানি এরিকসন ব্লটুথ উদ্ভাবন করেন। এরপর আর কিছু কোম্পানি ১৯৯৮ সালে ব্লুটুথ নিয়ে কাজ করতে সম্মত হয় আর গঠিত হয় Bluetooth Spcial Interest Group ( SIG ) সংঘটন।
ব্লুটুথ এর ভার্সন
ব্লুটুথ ১.০ এর ডাটা স্পীড ছিল এমবিপিএস।
ব্লুটুথ ২.০ এর ডাটা স্পীড ছিল ৩ এমিবপিএস।
বর্তমানের মোবাইলে ব্যবহার করা ব্লুটুথ ৩.০ এর স্পীড হল ২৪ এমবিপিএস ।
ব্লুটুথ ৪.০ এর স্পীড হল ২৪ এমবিপিএস।
ব্লুটুথ এর রেঞ্জ
ক্লাস ১ এর পাওয়ার রেঞ্জ হল ১০০ মিটার
ক্লাস ২ এর পাওয়ার রে্ঞ্জ হল ১০ মিটার ।
ক্লাস ৩এর পাওয়ার রেঞ্জ হল ১ মিটার








